মাদকাসক্তির করাল গ্রাস থেকে পৃথিবীর মানুষকে বাঁচাতে হবে। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ভাবছেন। সমাজসেবীরা উৎকণ্ঠা ও উদবেগ প্রকাশ করছেন। দেশে দেশে নানা সংস্থা ও সংগঠন মাদকবিরােধী আন্দোলন শুরু করেছে। বিশ্বের প্রতিটি শাস্ত্র, বিষয় ও ধর্মে মাদককে নিষিদ্ধ ঘােষণা করা হয়েছে এবং এর প্রতিকারে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া বিভিন্ন দর্শন, সমাজতত্ত্ব, সাহিত্য প্রতিটি বিষয়ে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে এসব নেশার প্রতি নিষেধমূলক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয়েছে। তাই এসব অনুশাসন মেনে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনই পারে মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ করতে। আমাদের দেশেও মাদকবিরােধী আন্দোলন শুরু হয়েছে। বেতার, টিভি, সংবাদপত্র ইত্যাদি গণমাধ্যম মাদকবিরােধী জনমত গঠনে সক্রিয় হয়েছে। মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক ও পারিবারিক প্রতিরােধ গড়ে তােলার লক্ষ্য নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এসব তৎপরতার লক্ষ্য হচ্ছেঃ


(ক) মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তােলা।
(খ) বেকার যুবকদের জন্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
(গ) মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ভেষজ ও মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ।
(ঘ) সুস্থ বিনোদনমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে তরুণদের সম্পৃক্ত করে নেশার হাতছানি থেকে তাদের দূরে রাখা।
(ঙ) ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে মাদকাসক্তির মর্মান্তিক পরিণতি সম্পর্কে সকলকে সচেতন করা।

উপসংহার

ভীরু খুঁজে সাহস, দুর্বল খুঁজে শক্তি, দুঃখী খুঁজে সুখ। কিন্তু অধঃপতন ছাড়া তারা আর কিছুই পায় না। তারপরও এরই আকর্ষণে অসংখ্য সম্ভবনাময় তরুণ আজ অকালে মৃত্যুর দিকে ছুতে চলছে। এ অবস্থা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে হবে। কঠোর ব্যবস্থার মাধমে বন্ধ করতে হবে মাদকদ্রব্যের চোরাচালান। এ মারাত্মক সমস্যা সম্পর্কে ঘরে ঘরে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার। সুস্থ, সুন্দর, আনন্দ-উচ্ছল সমাজজীবন গড়ে তােলার লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য ব্যবহার রােধ করার বাস্তব ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। মনে রাখতে হবে, মাদকাসক্তির করাল গ্রাস থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করার দায়িত্ব দল-মত নির্বিশেষে সবার। আমাদের দেশে মাদকাসক্তি চিকিৎসা সম্পর্কে অনেক অভিবাবক অভিযোগ করেন
চিকিৎসা করার পর তার সন্তান কিছুদিনের মাঝে পুনরায় মাদক সেবন শুরু করেছেন
আসলে আমরা দেখি অভিবাবক গন কোন মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে তার সন্তানকে ২/৪/৬ মাস চিকিৎসা সেবা দেবার পর মনে করেন তার সন্তান সুস্থ হয়ে গেছে।
এবং তারা এও স্বপ্ন দেখে চিকিৎসা নেয়া শেষ
চিকিৎসা কেন্দ্রে যাবার দরকার নাই। সে এখন চাকুরী, ব্যাবসা করবে এবং সুন্দর লাইফ স্টাইল নিয়ে চলবে, এই স্বপ্ন যখন বাস্তবায়ন হয় না, সন্তান পুনরায় মাদক নিয়ে ফেলে তখন অভিবাবকগন ট্রীটমেন্ট সেন্টারকে দোষারোপ করেন

কিন্ত মুল সত্যটা কি

আসুন মাদকাসক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সালাউদ্দিন কাওসার বিপ্লব , আধুনিক মাদকাসক্তি চিকিৎসার আলোকে , পুনঃ পতন এর কারন কি মনে করেন।



আসক্তি জনিত চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য
যোগাযোগ করুন

By newneer

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *